
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে শামীম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জাল সাক্ষর করে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সনদ প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, নবাবগঞ্জ উপজেলার হাসপাতাল এর সামনে অবস্থিত শামীম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জাল সাক্ষর করে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সনদ প্রদান করছে দীর্ঘদিন ধরে। সেই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেকনোলজিষ্ট হিসেবে একজন কর্মরত ছিলো দীর্ঘ দিন ধরে। এবং মালিক পক্ষ তাকে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে কাজ করার চাপ সৃষ্টি করলে তিনি নিজে ওখানে কাজ ছেড়ে দেন এমনঅবস্থায় তিনি দেড় মাস ধরে বাসায় বসে ছিলেন তিনি এবং নবাবগঞ্জ হাসপাতাল মোড়ে একদিন ওষুধ কিনতে গিয়ে একজনের হাতে একটি রক্তেরগ্রুপ নির্ণয় রিপোর্ট দেখতে পান। সেই রিপোর্ট এ দেখতে পান তার সিল ও সাক্ষর রয়েছে। রিপোর্টিতে তিনি দেখেন শামিম ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অদ্য ১৩/০৬/২২ এ করা রিপোর্ট এটি।
এবং অভিযোগকারী জানান, শামীম ডায়াগনস্টিক এ যে কোন ব্যক্তির দ্বারা উক্ত রিপোর্ট টি তৈরি করে উক্ত রিপোর্ট এ আমার জাল সাক্ষর করা হচ্ছে। যাহা এটি গুরুতর অপরাধ। এভাবে রিপোর্ট তৈরি হলে একজন রোগীর প্রাণ সংকটের মধ্যে পড়বে। এবং সরজমিনে বিষয় টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ সোম জানান, এই বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।